রোববার, ২০ জুন ২০২১, ৬ আষাঢ় ১৪২৮
অনলাইন ডেস্ক
  ১১ মে ২০২১, ১৩:৩৪

ঝুঁকি-দুর্ভোগে ছুটছেন গ্রামের বাড়ি

ঝুঁকি-দুর্ভোগে ছুটছেন গ্রামের বাড়ি
দুল ফিতরকে সামনে রেখে জীবনের ঝুঁকি ও চরম দুর্ভোগের মধ্যেও ছুটছেন মানুষ।

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সরকারি আদেশ উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি ও চরম দুর্ভোগের মধ্যেও বাস, ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, মাইক্রোবাস, প্রাভেটকার, সিএনজি মোটরসাইকেলে করে ছুটছেন মানুষ। এ সুযোগে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে নিচ্ছেন পরিবহনের চালকরা। পুলিশের চেকপোস্টে যাত্রীদের নামিয়ে গাড়ি ফেরালেও ফিরছেন না তারা, ছুটছেন গ্রামের বাড়ি। এতে নোভেল করোনা ভাইরাসের-১৯ সংক্রামণ বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সরেজমিনে ঘুরে যাত্রী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে করোনা ভাইরাস সংক্রামণ বৃদ্ধি পাবে। এমন আশঙ্কায় সরকার এক জেলা থেকে অন্য জেলায় গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ করেছে। এ কারণে হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশের তৎপরতা বেড়েছে। রাজধানী ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গে যাতায়াতের প্রবেশদ্বার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় ও চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়কের বাড়ইপাড়া এলাকার নন্দন পার্কের সামনে বসানো হয়েছে পুলিশের চেক পোস্ট। পুলিশের চেকপোস্টে যাত্রীদের নামিয়ে গাড়ি ফেরালেও ফিরছেন না তারা, ছুটছেন নাড়ীর টানে গ্রামের বাড়ি। যাত্রীরা পায়ে হেটে কিছু দুর গিয়ে বিভিন্ন ভাবে তারা বাড়ি যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানী ঢাকার প্রবেশদ্বার চন্দ্রা ত্রিমোড়ে ঘরমুখী মানুষের চাপ বাড়তে থাকে।

দুরপাল্লার যানবাহন না থাকায় মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস, সিএনজি, প্রাইভেটকার যে যেভাবে পারছেন ছুটে চলেছেন গন্তব্যস্থানে। কারও মধ্যেই সরকারী বিধি নিষেধ ও করোনা মাহামারির ভয় যেন নেই। বাড়ি ফেরার জন্য অঘোষিত এক প্রতিযোগীতা শুরু হয়েছে। এ সুযোগে পরিবহনের চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে নিচ্ছেন। ৩ থেকে ৪গুন বেশি ভাড়া আদায় করলেও যেন কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই।

সালনা (কোনাবাড়ি) হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর গোলাম ফারুক জানান, করোনা ভাইরাস সংক্রামণ রোধে সরকার এক জেলা থেকে অন্য জেলায় গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ করেছে। এ কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় আমাদের চেক পোষ্ট রয়েছে। কিন্তু অন্য জেলার গাড়ি ফিরিয়ে দিলে যাত্রীরা তা মানছেন না।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও চন্দ্রা নবীনগর মহাসড়কের কালিয়াকৈর সীমানা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে পুলিশের চেক পোস্ট বসানো হয়েছে। যাতে করে অন্য জেলার পরিবহন গুলো আমাদের থানা এলাকায় ঢুকতে না পারে।

ঈদুল ফিতর,মোটরসাইকেল
আরও খবর
  • সর্বশেষ
  • আলোচিত